রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম খালেদা জিয়া হলের ক্যান্টিনের খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ৩০ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হলের আবাসিক ছাত্রীদের অভিযোগ, ক্যান্টিনে সরবরাহকৃত বাসি, নোংরা ও নিম্নমানের খাবার খেয়ে গত দুই দিনে ওই ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন।
অসুস্থ ছাত্রীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি হয়েছেন। অন্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান একাধিক শিক্ষার্থী।
ছাত্রীরা জানান, গত শনিবার ও রোববার খালেদা জিয়া হলের প্রায় ৩০ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার পরপরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন তারা।
অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী অর্নিয়া খাতুন, বাংলা বিভাগের মরিয়ম আক্তার, ফাইন্যান্স বিভাগের মনিরা সুলতানা, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের রহিমা খাতুন ও মনিরা খাতুন, পরিসংখ্যান বিভাগের আইরিন সুলতানা ও সোনিয়া, ক্রপ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের আখিঁ আক্তার ও আরবি খাতুন, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সাবিনা আক্তার, ফলিত রসায়ন বিভাগের প্রিয়াংকা, মনোবিজ্ঞান বিভাগের হাসনা হেনা ও প্রাণী বিদ্যা বিভাগের মৌরি।
এরমধ্যে অর্নিয়া, মরিয়ম ও মনিরাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের নাম পরিচয়া জানা যায় নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খালেদা জিয়া হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর দিলরুবা আখতার বানু বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে এই সমস্যা হয়েছে। কিভাবে এটা হলো তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমি হলে গিয়েছিলাম। অসুস্থদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিয়েছি। প্রাধ্যক্ষ হিসেবে আমার মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরবর্তী প্রাধ্যক্ষ যাতে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন সেই ব্যবস্থা করা হবে।’
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর বেশির ভাগ ডাইনিং-ক্যান্টিনেই অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করা হয় বলে বরাবরই শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যেই এ ধরণের বিষক্রিয়ার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছেন শিক্ষার্থীরা।
গঙ্গার পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না: নাহিদ ইসলাম