এম আর অভি ঃ প্রাইভেট পড়ে বাড়ী ফেরার পথে শিংড়াবুনিয়া গ্রামের কাঁচা রাস্তার উপর থেকে অপহৃত হওয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থী লিমা (১৪) এর অপহরণকারীরা ধরাছোয়ার বাইরে। আসামীদের৬ মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ এমনটি অভিযোগ পরিবারের। তাছাড়া লিমা অপহরণের পরে তাকে পুলিশ উদ্ধার করলেও মামলা করায় আসামীরা ক্ষীপ্ত হয়ে আবারও অপহরণ করে লিমাকে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার শিংড়াবুনিয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে রূপধন শিংড়াবুনিয়া উজিরিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী লিমা (১৪) কে গত ৯ এপ্রিল বিকাল ৫ টায় প্রাইভেট পড়িয়া শিংড়াবুনিয়া গ্রামের কাঁচা রাস্তায় পৌছালে তারেক (২০) ও সবুজ ঘরামী(২২) মটর সাইকেল যোগে জোর পূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ১৯ এপ্রিল অপহৃত শিক্ষার্থী লিমার বাবা বাবুল মিয়া বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে বরগুনা বিজ্ঞ নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ২৬৮/১৮। মামলার আসামীরা হলো শিংড়াবুনিয়া গ্রামের ওয়াজেদ আলী, তার পুত্র তারেক (২০) ও পলাশ এবং খাসতবক গ্রামের শহিদ ঘরামীর পুত্র সবুজ ওরফে সবুর ঘরামী (২২)। মামলাটি বিজ্ঞ আদালত আমলে নিয়ে বরগুনা পাথরঘাটা থানার ওসিকে এজাহারের আদেশ দেয়।
এব্যাপারে মামলার বাদী বাবুল মিয়া প্রতিবেধককে জানান, আসামীদের সাথে অনৈতিক যোগসাজোসে পুলিশ তাদের আটক করছে না এবং আমার মেয়েকে উদ্ধার করছে না। তিনি আরও জানান, আমার মেয়েকে না পাওয়ায় আমরা উৎকণ্ঠায় জীবন যাপন করছি।
মমলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই মুহাম্মদ নুরুল আমিন সিকদার জানান, ভিকটিম লিমাকে অপহরণের পর একবার উদ্ধার করা হয়েছে। আবারও অপহরণ হয়েছে কিনা জানি না। তবে আসামীরা পলাতক রয়েছে।
বরগুনা পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খবির আহম্মেদ জানান, হয়তোবা আদালতে চার্জসীট দাখিল করা হয়েছে। কোর্ট থেকে এখনও ওয়ারেন্ট আসেনি।
গঙ্গার পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না: নাহিদ ইসলাম