বগুড়ার শেরপুরে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। সোমবার সকাল পর্যন্ত অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, এটি জঙ্গি কোনো সংগঠনের আস্তানা।
পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে বড় ধরণের কোন নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই বাড়িতেই গতরাতে বোমার বিস্ফোরণে ২ জন নিহত হন।
বোমা বিস্ফোরণের খবর পেয়ে সোমবার সকালে গাড়িদহ ইউনিয়নের জোয়ানপুর গ্রামের একটি বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ ও র্যাবের সদস্যরা। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৪টি পিস্তল, ৪০ রাউন্ড গুলি ও ২০টি বোমা উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা থেকে ১৩ সদস্যের বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমাগুলোকে গ্রেনেড বলে শনাক্ত করে।
পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে জঙ্গিদের কোন কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছিল কিনা তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পহেলা এপ্রিল জোয়ানপুরের মাহবুবুর রহমানের বাড়ি ভাড়া নেয় দুই ব্যক্তি। রোববার রাত ৯টার দিকে সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় আশপাশের বাসিন্দারা সেখানে ছুটে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় দু’জনকে পড়ে থাকতে দেখে।
পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অপরজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান। বোমা বানাতে গিয়ে এ বিস্ফোরণ হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।