নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়াই পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ১৩ জন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ২২ মার্চ রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এ আদেশ দিয়েছে।
এনিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ এবং অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
বদলীকৃত কর্মকর্তারা হলেন- মো. আহসানুল হক, মো: নিয়াজুর রহমান, ডা. গোলাম রব্বানী, মাহবুবুল আলম সিদ্দীকি, আব্দুর রাজ্জাক, মাজহারুল হক চৌধুরী, মো: শামসুল আলম, এ কে এম শাহাদাত হোসেন, সেলিম ভুইয়া ও গাজী মীর মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনী বিধিমালার ৮৯ ধারা মোতাবেক তফসিল ঘোষণার তারিখ হতে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মরত কাউকে বদলী করা যাবে না মর্মে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে।
এ বিধি মোতাবেক ঢাকা এবং চট্টগ্রাম সিটির কোন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ইসির অনুমতি ছাড়া ১৫ মার্চ হতে ১৫ মে পর্যন্ত বদলি করতে পারবে না সরকার।
তারপরও এসকল কর্মকর্তাকে ইসির অনুমতি ছাড়াই ২২ মার্চ বদলি করায় সর্বস্তরে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দানা বেধেছে এবং নির্বাচনকে ঘিরে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বদলির বিষয়টিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান।
এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি প্রফেসর নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারের এসকল কার্যক্রম প্রমাণ করে তারা একপেশে নির্বাচনের জন্য আটঘাট বেধে নেমেছে।